0
অলিম্পিকের নারী শক্তি
অলিম্পিকের নারী শক্তি
মালেশ্বরী, মেরি কম, সাইনার পর এবার সাক্ষী মালিক
স্বাধীনতার পর থেকে ভারতের ঝুলিতে এসেছে মাত্র ২৫টি অলিম্পিক মেডেল। যাদের মধ্যে ৪টি এসেছে ভারতীয় মহিলা অ্যাথলেটদের হাত ধরে। আর এই নারীশক্তিকে সেলাম, যাদের হাত ধরে ভারত অলিম্পিকের বিশ্বমানচিত্রে নিজেদের মহিলা শক্তির উদাহরণ রাখতে পেরেছে। এই বার্তা পৌঁছতে পেরেছে যে আন্তর্জাতিক খেলাতেও ভারতকে দুর্বল ভাবার চিন্তাধারায় এবার বদল আনার সময় এসেছে।
ক্রীড়াক্ষেত্রে অনবদ্য অবদানের জন্য চিরকাল ৩ মহিলা স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। কারনাম মালেশ্বরী, এম সি মেরি কম এবং সাইনা নেহেওয়াল। এই তালিকায় আজ, ১৮ আগস্ট যোগ হয়ে গেল একটি নতুন নাম। হরিয়ানা রোহতকের ২৩ বছরের সাক্ষী মালিক।
অলিম্পিকে পদকজয়ী প্রথম ভারতীয় মহিলা অ্যাথলেট হলেন কারনাম মালেশ্বরী। ২০০০ সালে সিডনি গেমসে মহিলা ভারোত্তলন বিভাগে পদক জিতেছিলেন তিনি। ৬৯ কেজি ভারোত্তলন বিভাগে শেষে ১৩৭.৫ কেজি ভার তোলার চেষ্টা করেন মালেশ্বরী। তাঁর সেই প্রচেষ্টা ব্রোঞ্জ পদক পাওয়ার জন্য উপযুক্ত ছিল। তবে মালেশ্বরীর দাবি ছিল, তিনি সোনাও জিততে পারতেন যদি না অঙ্ক কষায় ভুল হতো। যদি তিনি ১৩৭.৫ কেজির পরিবর্তে ১৩২.৫ কেজির ভারও তুলতেন তাহলে তিনি সোনা জিততে পারতেন।
২০০০ সালের পর একেবারে ১২ বছর বাদে অলিম্পিকে মেরি কমের পাওয়া পদক ভারতীয় বক্সিংয়ের ধারাই পাল্টে দেয়। লন্ডনের অলিম্পিকে ২০১২ মেরি কম একমাত্র মহিলা বক্সার যিনি সুযোগ পেয়েছিলেন। তখন তিনি দুই সন্তানের মা। ফ্লাইওয়েট বিভাগে শুধু লড়া নয়, বরং ব্রোঞ্জের পদকও এনেছিলেন তিনি।
এই একই বছরে আরও এক পদক লাভ হয় ভারতের। আর তা হয় ২২ বছরের সাইনা নেহেওয়ালের হাত ধরে। বিশ্বের দ্বিতীয় ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় জিন ওয়াংকে হারিয়ে তৃতীয় স্থানের জন্য প্লে অফ রাউন্ডে জয়ী হন সাইনা। সাইনা প্রথম ভারতীয় ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় যিনি অলিম্পিকের কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছেছিলেন ২০০৮ সালে।
২০১২ সালে লন্ডন অলিম্পিকে ভারতের চমকপ্রদ প্রদর্শনের পর ২০১৬ রিও অলিম্পিকে কুস্তিতে ব্রোঞ্জ জিতে ভারতের খাতা খুললেন সাক্ষী মালিক। ৫৮ কেজির ফ্রিস্টাইল কুস্তিতে কিরগিজস্তানের আইসুলু তাইনিবেকোভাকে হারিয়ে ব্রোঞ্জ পদক জিতেছেন হরিয়ানার রোহতকের ২৩ বছরের কুস্তিগীর সাক্ষী মালিক।

Post a Comment

 
Top